
নবজাতকের আগমন আনন্দের পাশাপাশি নতুন দায়িত্ব ও শেখার একটি সময়ও নিয়ে আসে। শিশুরা কথা বলতে না পারায় তাদের প্রয়োজন বোঝা অনেক সময় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে কান্নার আগেই কিছু সূক্ষ্ম ইঙ্গিতের মাধ্যমে বোঝা যায়, আপনার শিশুটি ক্ষুধার্ত কি না।
এসব লক্ষণ বুঝতে পারলে শিশুকে সময়মতো খাওয়ানো সহজ হয় এবং তার সঙ্গে সম্পর্কও আরও দৃঢ় হয়।
সাধারণত নবজাতককে দিনে ৮ থেকে ১০ বার খাওয়ানো প্রয়োজন। প্রথম কয়েক সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় মেনে না চলেও শিশু অনিয়মিত বিরতিতে খেতে চাইতে পারে। তবে পাঁচ ঘণ্টার বেশি সময় যেন না পেরোয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অপরিণত শিশুদের ক্ষেত্রে অন্তত প্রতি তিন ঘণ্টায় একবার খাওয়ানো জরুরি।
এসব লক্ষণ দেখলেই শিশুকে খাওয়ানোর চেষ্টা করা ভালো।
কান্না সবসময় ক্ষুধার জন্য নয়
শিশু কান্নার মাধ্যমে সব ধরনের অস্বস্তি প্রকাশ করে। তাই প্রতিবার কান্না মানেই ক্ষুধা নয়। খাওয়ানোর চেষ্টা করলে যদি সে স্বাভাবিকভাবে দুধ খায়, তাহলে বুঝতে হবে সে ক্ষুধার্ত ছিল। আর যদি কান্না থামছে না, পা গুটিয়ে নেয় বা অস্থির থাকে, তাহলে গ্যাস, ক্লান্তি বা ডায়াপার ভেজা—এসব কারণও হতে পারে।
দ্রুত বৃদ্ধি সময়ে বেশি ক্ষুধা লাগা স্বাভাবিক
কিছু নির্দিষ্ট সময়ে শিশুরা হঠাৎ বেশি খেতে চাইতে পারে, যাকে গ্রোথ স্পার্ট বলা হয়। সাধারণত—
চাহিদা অনুযায়ী খাওয়ানোই ভালো
নির্দিষ্ট সময়সূচীর চেয়ে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী খাওয়ানো বেশি কার্যকর। এজন্য—
অতিরিক্ত খাওয়ানো থেকেও সতর্ক থাকুন
প্রতিটি কান্নাকে ক্ষুধা ভেবে খাওয়ালে অতিরিক্ত খাওয়ানোর ঝুঁকি থাকে। তাই শিশুর আচরণ বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াই সবচেয়ে ভালো।
শিশুর ছোট ছোট সংকেতগুলো বুঝতে পারলেই তার যত্ন নেওয়া সহজ হয়ে যায়, আর এই বোঝাপড়াই গড়ে তোলে বাবা-মা ও সন্তানের গভীর বন্ধন।
আপনার মতামত লিখুন :